যশোরে অস্থিতিশীল চালের বাজার সবজির দাম এখনও আকাশছোঁয়া

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শীতকাল শেষ হতে চললেও যশোরে সবজির দাম সহনীয় পর্যায়ে আসেনি, এখনও বাজারে আকাশছোঁয়া দাম। চালের বাজারেও অস্থিতিশীল বিরাজ করছে, আমনের ভরা মৌসুমেও দাম কমেনি। বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে খোলা সয়াবিন তেল। বেড়েছে মসুরের ডালের দাম। আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে মুরগির দাম স্বাভাবিক হতে। গতকাল শুক্রবার যশোরের বড়বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
সবজির দাম কিছুটা কমে আসার পরপরই কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় চাষির ক্ষেত। ফলে আবারো বাড়তি দামে বাজারে বিক্রি হতে থাকে প্রায় সব ধরনের সবজি। শুক্রবার বড়বাজারে উচ্ছে প্রতিকেজি ১২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যায়। কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মেটে আলুর কেজি ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, কচুরলতি ৬০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, পেঁয়াজের কালি ২০ টাকা ও মুলো ৩০ টাকা। এইচ এম এম রোডে অবস্থিত কাঁচামাল ব্যবসায়ী শতাব্দি ভা-ারের অন্যতম স্বত্বাধিকারী গোলাম হোসেন নয়ন জানান, ভরা শীতে যে মুহূর্তে বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়ে দাম কমে এসেছিল, ঠিক তখনই কুয়াশা ও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় চাষিদের ক্ষেতের ফসলের ক্ষতি হয়। আর গতকাল শুক্রবার থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় সবজির ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। ফলে শীতকালীন সবজির দাম আর কমার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি। এদিকে বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম আবারো বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার প্রতিকেজি সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা, সুপার তেল ১৫৫ টাকা, ও পাম তেল ১৪৭ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে বেড়েছে মসুরের ডাল। দেশি মসুর ডাল ১১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা দরে। আমদানি করা চিনি ৭৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও দেশি লাল চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮৪ টাকায়। অপরদিকে শীতকালে নানা ধরনের সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে মুরগির দাম বেড়ে গেছে। শুক্রবার বড়বাজারে খামারের সোনালী ও লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়। তবে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকায়।

Lab Scan