যশোরের কচুয়ায় কৃষক খুনের ঘটনায় যুবক আটক, আদালতে স্বীকারোক্তি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলার মধ্য কচুয়া গ্রামের কৃষক শাহ আলম ওরফে সাইলামকে নৃসংশ খুনের ঘটনায় তপু হোসেন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে চুড়ামনকাটি এলাকা থেকে তাকে আটক করেন কোতয়ালি থানা পুলিশের এসআই পলাশ বিশ্বাস। বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মাল্লিক তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আটক তপু হোসেন হামিদপুর মাঠপাড়ার ওলিয়ার রহমানের ছেলে।
জবানবন্দিতে তপু হোসেন জানিয়েছেন, তিনি হামিদপুর আল-হেরা ডিগ্রি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। তার পিতা ওলিয়ার রহমান মাঠে দিনমুজুরের কাজ করেন। আসামি আরমানদেরও কাজ করেন তার পিতা। গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোর ৪ টার দিকে আরমান তার পিতাকে মোবাইল ফোন করে মাঠে ডেকে নিয়ে যান। কিন্তু তার পিতা বাড়ি ফিরে না আসায় তিনি খোঁজ করতে মাঠে যান। এ সময় দেখতে পান, আরমান ও তার সহযোগীরা দুই ব্যক্তিকে মাছ চোর বলে আটকে রেখে মারপিট করছেন। এরপর তিনি ও তার পিতা বাড়ি ফিরে আসেন। পরে আরমান তাদেরকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে পরামর্শ দিয়ে বলেন, যাদের মারধর করা হয়েছিলো তাদের একজন মারা গেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তার ছেলে শাহ আলম ওরফে সাইলাম এবং আবাদ কচুয়ার জিল্লুর রহমান গ্রামের পাগলার বিলে ধানের জমিতে পানি দিতে যায়। গভীর রাতে তাদের মাছ চোর আখ্যা দিয়ে নৃসংশভাবে মারধর করেন হামিদপুর গ্রামের আরমান শিকদার ও তার সহযোগীর। নির্যাতনের ফলে দু জনের মধ্যে শাহ আলম পরে মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের পিতা মোতাসিন খলিফা বাদী হয়ে আরমানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ভাগ