মোংলায় দেড় হাজার চিংড়ি ঘের প্লাবিত

মোংলা সংবাদদাতা॥ ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে মোংলায় দেড় হাজার চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া ১২৫টি কাঁচা ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত এবং ৩২৫টি ঘর আংশিক তিগ্রস্থ হয়েছে। বিপুল সংখ্যক গাছপালা উপড়ে গেছে। তবে ঝড়ের আঘাতে এখানে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত মান্নান বলেন, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের তীরবর্তী কানাইনগর, কলাতলা, সুন্দরতলাসহ বিভিন্ন জায়গার দুর্বল বেড়িবাঁধের কয়েকটি জায়গা ধ্বসে গেছে। তবে আবহাওয়া অফিসের দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী কয়েক ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসের কথা বলা হলেও মোংলা সমুদ্র বন্দরের পশুর চ্যানেলসহ সুন্দরবনের নদ-নদীর পানির উচ্চতা অনেকটা স্বাভাবিকই ছিল। ফলে মোংলাসহ আশপাশ এলাকায় জলোচ্ছাসে প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। যদিও বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে কিংবা উপচে জোয়ারের যে পানি বাঁধের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিল তা আবার ভাটার সময়ে নেমে গেছে। পৌর কর্তৃপরে প থেকে পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার মোড়ে মোড়ে দুর্গতদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করছেন পৌর মেয়র আলহাজ্ব মো. জুলফিকার আালী।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে ঝড়ে তিগ্রস্থ প্রত্যেক পরিবারে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত মান্নান, পৌর মেয়র জুলফিকার আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাহিদুজ্জামান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান বলেন, আম্পানে কম বেশি তিগ্রস্থ এমন ২ হাজার ৪শ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া ৩ হাজার শিশুর জন্য শিশু খাদ্যও দেওয়া হচ্ছে। এদিকে আম্পানের তাণ্ডবে পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারী স্টেশন, লাউডোব, দুবলা ও মরাপশুর ক্যাম্পের জেটি, ঘরবাড়ীসহ অন্যান্য স্থাপনা এবং বনের গাছপালার বেশ য়তি হয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন। তবে এতে কোনও জেলে নৌকা ডুবি, জেলে নিঁখোজ কিংবা হতাহতের খবর নেই বলেও জানান তিনি।

ভাগ