মাঠের আকৃতি নিয়ে কোহলির অভিযোগ ছিল অদ্ভুত: স্টোকস

লোকসমাজ ডেস্ক॥ বিশ্বকাপে এজবাস্টটনের মাঠের আকৃতি নিয়ে ম্যাচের আগে ও পরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এজবাস্টনে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিল ভারত। ওই ম্যাচে রানের ফোয়ারা ছুটেছিল। টস জিতে আগে ব্যাট করে ইংলিশরা ৭ উইকেটে ৩৩৭ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৩১ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় ইংল্যান্ডের। মাঠের উদ্ভট আকৃতি নিয়ে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে কোহলি বলেছিলেন,‘মাঠের আকৃতি আমার কাছে উদ্ভট মনে হয়েছে। সীমানা এতোটা ছোট! অবাক করার মতো। ব্যাটসম্যানরা যদি রিভার্সসুইপেও বল গ্যালারিতে পাঠায় তাহলে স্পিনারদের কি করার আছে?’ ৩৩৭ রান সংগ্রহ করতে ইংল্যান্ড ওই ইনিংসে পেয়েছিল ১৩টি ছক্কা। অন্যদিকে ভারত ইনিংসে একটি ছক্কা পেয়েছিল সেটা ইনিংসের ৪৮তম ওভারে ধোনির ব্যাট থেকে। ব্যাটিংয়ের বিপরীত চিত্র থাকলেও নিজেদের হারের জন্য মাঠের আকৃতিকে পরোক্ষভাবে দুষেছিলেন কোহলি।
তবে কোহলির অভিযোগ সঠিক নয় বলে মনে করছেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার বেন স্টোকস। সম্প্রতি বেন স্টোকসের বই ‘অন ফায়ার’ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বিশ্বকাপের ম্যাচ নিয়ে লিখেছেন স্টোকস। এ পেস অলরাউন্ডার লিখেছেন,‘এটা সত্যিই অদ্ভুত যে ভারতীয় অধিনায়ক কোহলি বাউন্ডারির আকৃতি নিয়ে কথা বলেছে ম্যাচের পর। ম্যাচের পর কোনও অধিনায়ককে এমন অভিযোগ তুলতে কখনো দেখিনি। আমরা প্রত্যেকে একই উইকেটে ব্যাটিং করেছি। সমান বল খেলেছি। সমান আকৃতির মাঠেই খেলেছি। স্বাগতিক দল হিসেবে কোনও সুবিধা তো বাড়তি পাইনি। কিংবা ভারত আমাদের থেকে বেশি কোনও সুবিধা পায়নি। তাহলে ম্যাচ হারের পর এমন অভিযোগ কেন?’ ওই ম্যাচে মাহেন্দ্র সিং ধোনির ব্যাটিং নিয়েও সমালোচনা করেছেন স্টোকস। তাঁর ধারণা, ভারতের সাবেক অধিনায়ক ম্যাচ জয়ের কোনও চেষ্টাই করেননি। শেষ ১০ ওভারে দরকার ছিল ১০৪ রান। ওভার প্রতি প্রায় ১০। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যুগে এটা জলভাত। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে জেতার আশাই ছেড়ে দিয়েছেন ধোনি। অবশ্য শুরু থেকেই দলের ব্যাটিংয়ে গতি ছিল না। শেষ ১০ ওভারে মাত্র ৭টি বাউন্ডারি ও একটা ওভার বাউন্ডারি মেরেছে টিম ইন্ডিয়া। ৩১ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন ধোনি। স্টোকসের মতে,‘ধোনির ব্যাটিং আমাদের কাছে অপরিচিত মনে হচ্ছিল। চার-ছক্কার পরিবর্তে সিঙ্গেলের নেশায় মগ্ন ছিল। রানের থেকে কম ছিল যদিও। তবে ভারত চাইলে জিততেও পারতো। ধোনি এবং তাঁর পার্টনার কেদার যাদব জয়ের চেষ্টা করেনি।’

ভাগ