ভোট ডাকাতিতে জড়িতদের গণশুনানিতে আমন্ত্রণ জানানো হবে না: ঐক্যফ্রন্ট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘অনিয়ম’ নিয়ে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি গণশুনানি করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আর এ গণশুনানিতে ভোট ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মতিঝিলের ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামালের চেম্বার এক সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে গণশুনানি উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা হয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যরা।
আসম আব্দুর রব বলেন, গণশুনানিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। সব দলকে ঐক্যফ্রন্ট থেকে চিঠি দেওয়া হবে এবং ব্যক্তিগতভাবে টেলিফোনও করা হবে। তবে ভোট ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের আমন্ত্রণ জানানো হবে না। প্রসঙ্গত, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের রাতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ভোট ডাকাতি করেছে বলে অভিযোগ করে ফলাফল প্রত্যাখান করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এই কারণে দলটি থেকে নির্বাচিত ৮ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণ করেননি। যদিও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ঐক্যফ্রন্টের নেতা সুলতান মোহাম্মদ মুনসুর আহমদ শপথ নেবেন বলে নিজেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন।
২৪ তারিখ কোথায় গণশুনানি হবে তার স্থান এখনও নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানিয়ে রব বলেন, আমরা প্রেসক্লাব, মহানগর নাট্যমঞ্চসহ কয়েকটি স্থান নিয়ে কথা চলছে। যেখানে জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই গণশুনানি হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শুনানি চলবে। আ স ম আব্দুর রব বলেন, গণশুনানিতে বিচারকের মঞ্চ থাকবে। সেখানে প্রধান বিচারপতি হিসেবে ড.কামাল হোসেন থাকবেন। তবে পাশ থেকে কামাল হোসেন বলেন, এই বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ড. কামাল হোসেন তো দলীয় লোক, তিনি কী প্রধান বিচারপতি হিসেবে থাকবেন সাংবাদিক এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মইন খান বলেন, পৃথিবীর সবাইতো দলীয় লোক, তাই বলে কি নিরপেক্ষ হতে পারবে না? আ স ম আব্দুর রব বলেন, সারাদেশে ১০ কোটি মানুষের ভোট ডাকাতি হয়েছে। কিন্তু তারা কাষ্ঠ হাসি দিয়ে বলে জনগণ আমাদের ভোট দিয়েছে। ২৪ তারিখে তাদের নগ্ন করে দেওয়া হবে। তাদের সব অন্যায় সেই দিন জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মহসিন মন্টু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার প্রমুখ।

ভাগ