ভেজাল সার প্রমাণিত হওয়ার পরও কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা না করার অভিযোগ !

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলীর বিরুদ্ধে আলোচিত ভেজাল সার উৎপাদনকারী সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া গ্রামের রাজু আহমেদের নামে মামলা করতে গড়িমসি করার অভিযোগ উঠেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে জব্দ করা সার পরীক্ষা নিরীক্ষায় ভেজাল প্রমাণিত হয়েছে। মামলা না করার কোনো কারণ নেই। হাসান আলী কেন মামলা করছেন না,তাকে এ বিষেেয় চিঠি দেওয়া হবে। অন্যদিকে হাসান আলী বলছেন,পরীক্ষা নিরীক্ষার রির্পোট ঢাকায় পাঠাতে হবে।
গত ১৩ ডিসেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজু আহমেদের এআর এগ্রো কেমিক্যাল নামের ওই ভেজাল সার কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সার ব্যবস্থাপনা) আমিনুল ইসলাম। অভিযানের সংবাদ পেয়েই অভিযুক্ত ব্যক্তি আগেই পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে ৪শ মেট্রিক টন ভেজাল দানাদার সার জব্দ করেন। এ সময় ভেজাল কারাখানাসহ তিন গুদাম সিলগালা করে দেওয়া হয়। জব্দকৃত ভেজাল সার পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ওই কর্মকর্তা ভেজাল কারবারি রাজু আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার জন্য সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলীকে নির্দেশ দেন। কিন্তু বিষয়টি এরপর থেকে ধামা চাপা পড়ে আছে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামলা করতে গড়িমসি করছেন।
সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (সার ব্যবস্থাপনা) আমিনুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, কেন তিনি(সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা) মামলা করছেন না! বিষয়টি আমি পরিচালককে অবহিত করেছি। যেহেতু জব্দকৃত সারের টেস্ট রির্পোট নেগেটিভ, মামলা উনাকে করতেই হবে। কোন উদ্দেশ্যে তার (রাজু আহমেদ) বিরুদ্ধে মামলা করছেন না, এ বিষয় তাকে চিঠি দেওয়া হবে।
তবে গড়িমসির অভিযোগ অস্বীকার করেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান। তিনি বলেন, আমি রিপোর্ট ঢাকায় পাঠিয়েছি। আমাকে তো সকল প্রক্রিয়া মেনেই কাজ করতে হবে।

 

Lab Scan