ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে পায়ে হাঁটা মানুষের ভিড়

লোকসমাজ ডেস্ক॥ দেশের দণি পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশ পথ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে পায়ে হেঁটে আসার মানুষের চাপ বাড়ছে। গত কয়েকদিন ব্যক্তিগত যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বৃহস্পতিবার রাত থেকে তা চলতে দেওয়া হচ্ছে। ফলে শুক্রবার ব্যাক্তিগত যানবাহনে করে ঈদের ঘরমুখো মানুষের তীব্র চাপ ছিল। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা গেছে, দিনভর প্রাইভেটকার, মাইক্রো, মটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবহনে চেপে মানুষ পাটুরিয়া ঘাটে গিয়ে নদী পার হয়ে যার যার গন্তব্য স্থলে যাচ্ছেন। বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান বলেন, আবাহাওয়া অনুকূলে না থাকা এবং সরকারী নির্দেশে বুধবার সকাল ৮ থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পরে নদী স্বাভাবিক হয়ে গেলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়। রাতভর ১৫টি ফেরি দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করলে শুক্রবার সকালে ঘাট ফাঁকা হয়ে যায়। শুক্রবার ৪টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
তিনি বেলেন, তবে এদিন বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যায়। ঢাকা- আরিচা মহাসড়কে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাক্তিগত যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর যাদের সামর্থ্য আছে তারা ঢাকা থেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে পাটুরিয়ায় যাচ্ছে। অন্যরা সামর্থ্য অনুযায়ী পায়ে হেঁটে, রিক্সা, ভ্যানে করে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে পাটুরিয়ায় যাচ্ছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকার পর করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে তারা এভাবে গ্রামে ফিরছেন। মহাসড়কের গোলড়া পুলিশ চেক পোস্টে থাকা সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মতিওয়ার রহমান মিঞা বলেন, বিগত কয়েক দিন আমরা ব্যক্তিগত যানবাহনে আটকে দিয়েছি। কোনো অবস্থায় মানিকগঞ্জ অঞ্চলে প্রবেশ করতে দেইনি। কিন্ত বৃহস্পতিবার ব্যক্তিগত যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে এর সংখ্যা বেড়ে গেছে। তবে আমরা কোনো গণপরিবহন চলতে দিচ্ছি না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাতে মানুষ ঘরে ফেরে সেভাবে কাজ করছি।

ভাগ