বেনাপোলে শ্রমিকদের দু গ্র“পের সংঘর্ষে আহত ৮, আটক ১

শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা ॥ যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলে শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে স্থলবন্দরের ৮ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। সোমবার সকালে বেনাপোল ছোট আঁচড়া বাইপাস রোডে ভারতীয় ট্রাক থেকে পাথর নামানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে শ্রমিক সরদার আব্দুর রশিদ মল্লিক অভিযোগ করেন, কাউন্সিলর রাশেদ তার লোকজন নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় পোর্ট থানার খড়িডাঙ্গা গ্রামের কালাম, রঘুনাথপুর গ্রামের দুল্লী, দৌলতপুর গ্রামের শরিফুল, শামীম, স¤্রাট, জুয়েল, কামাল ও রাজু আহত হন। আহত শ্রমিক দুল্লী জানান, তিনি ও তার গ্রুপের শ্রমিকরা সবাই মিলে বেনাপোল ছোট আঁচড়া বাইপাস রোডে পাথর লোড-আনলোডের কাজ করতে যান। এ সময় একদল সন্ত্রাসী লাঠি, বোমা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় তিনিসহ তার দলের সাত শ্রমিক আহত হন বলে জানান। এ সময় শ্রমিকদের ৪টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। আহত শ্রমিকদের মধ্যে কালাম হোসেনকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করে ও তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। খবর পেয়ে পোর্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ সময় পুলিশ ৪টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
অপরদিকে কাউন্সিলর রাশেদ আলী জানান, সোমবার সকালে বেনাপোল বাইপাস সড়কের পাশে তার একটি পুকুরে মাছের খাদ্য দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বেনাপোল ৯২৫ শ্রমিক সরদারদের একটি দল ৭টি মোটরসাইকেলে এসে তাকে হত্যার জন্য তার ওপর হামলা করে। এ সময় শ্রমিকেরা তার ব্যবহারিত প্রাইভেট কার ভাঙচুর করে। রাশেদ জানান, আগামী বছরে বেনাপোলের মেয়র বন্দরের ডাক পাওয়ার কথা শুনে তার ওপর পরিকল্পিত হামলা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনা স্থলে ২টি শক্তিশালী বোমার বিষ্ফোরণ ঘটে। বোমার আওয়াজে এলাকার জনসাধারণ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে, দোকানদারেরা তাদের দোকান বন্ধ করে দেয়। এ সময় ভয়ে অভিভাবকরা পাশের স্কুলে গিয়ে তাদের সন্তানদের নিয়ে দ্রুত স্কুল ত্যাগ করেন। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান বলেন, হামলাকারীদের আটকের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা বিােভ কর্মসূচি প্রত্যাহার ও বন্দরের সকল কার্যক্রম সচল করেন । তিনি জানান এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। রায়হান নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

ভাগ