বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ে তুলতে পারলে অপশক্তি দূর হবে : উপাচার্য

খুলনা ব্যুরো ॥ বৃহস্পবিার সকাল ১০টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনে ‘দ্রুপদী ও সমসাময়িক সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব: ধারাবাহিক প্রবণতা অনুসন্ধান’ শীর্ষক এক সেমিনার প্রফেসর ড. মো. আব্দুল জববারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান।
তিনি বলেন জীবনের বিকাশ, সভ্যতার যাত্রা, সমাজের অগ্রগতি ও উৎকর্ষ সবকিছুর সাথেই সমাজবিজ্ঞান ওৎপ্রোতভাবে জড়িত। মানুষ কী ভাবে মানুষ হয়ে উঠলো, তাদের চলন-বলন, পোশাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন সবকিছুর সাথেই সামাজিক বিষয় জড়িত যার সাথে সমাজবিজ্ঞান সম্পৃক্ত। তিনি বর্তমান সামাজিক ব্যবস্থায় নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা যদি বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ে তুলতে পারি তবে সমাজে বিদ্যমান অপশক্তি, কুসংস্কার বা অপসংস্কৃতি সহজেই দূর করা সম্ভব হবে। তিনি সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন আয়োজিত এ সেমিনারের মূলবক্তা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম খানকে বর্তমান সময়ের অন্যতম একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে আখ্যায়িত করে তার বক্তব্যের মাধ্যমে ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সেমিনারের মূলবক্তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম খান সমাজবিজ্ঞানের নানাদিক বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলগত সামাজিক বিকাশ ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন সমাজ বিজ্ঞানও বিজ্ঞান কিন্তু প্রাকৃতিক বিজ্ঞান থেকে আলাদা। তিনি আরও বলেন, সামাজিক নিয়ন্ত্রণও পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে। সামাজিক প্রেক্ষিত থেকে জ্ঞান উৎসারিত এবং সমাজবিজ্ঞানে সামাজিক ঘটনাবলী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উপাদান বহন করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বলেন, সমাজে ব্যক্তিসত্তার বিকাশ ও সম্ভাবনার বিকাশকে অবাধ করতে হবে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. তাছলিমা খাতুন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. সেলিনা আহমেদ। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন একই ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন রায়। সেমিনারে বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ভাগ