পার হওয়া সাড়ে ৭ হাজার গাড়ির মধ্যে বাস ১৩৪৫

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে পর্যাপ্ত ফেরি থাকার পরেও গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যানবাহনের চাপ অব্যাহত রয়েছে। প্রায়ই ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের চার থেকে ছয় কিলোমিটারের বেশি যানবাহনের জট তৈরি হচ্ছে। লাগাতার এ যানজটে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষায় থাকা চালক-যাত্রীদের, নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান সময়। বিআইডাব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট অফিস সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকাল ৬টা পর্যন্ত মোট ৪৮ ঘণ্টায় ৪৬২টি ফেরির ট্রিপে দৌলতদিয়া থেকে বিভিন্ন যানবাহন নিয়ে পাটুরিয়া গেছে। এর মধ্যে যাত্রীবাহী বাস ছিল এক হাজার ৩৪৫টি, ট্রাক দুই হাজার ৮৮১টি, ছোট যানবাহন তিন হাজার ৪৪৭টি। সব মিলে মোট সাত হাজার ৬৭৩টি যানবাহন দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে পাটুরিয়া গেছে।
সূত্র আরও জানায়, নৌরুটে ২০টি ফেরি দিয়ে নিয়মিত যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। যার মধ্যে রো রো ১১টি, ইউটিলিটি ছয়টি, টানা (ডাম্প) দুটি ও কেটাইপ এটি ফেরি চলাচল করছে। তবে তিন দিন ছুটির কারণে ঘাটে অতিরিক্ত যানবাহনে চাপ রয়েছে। পাশাপাশি ৫ ও ৭ নম্বর ফেরি ঘাটে পন্টুনের র‍্যামের সঙ্গে সংযোগ সড়কের উচ্চতা বেশি হওয়ার ফেরি লোড ও আনলোডে অতিরিক্ত সময় লাগছে। এতে করে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা- খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত অপচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকের ও কার্ভাডভ্যানের দীর্ঘ সাড়ে চার কিলোমিটার সারি রয়েছে। তবে এ যানজটে যাত্রীবাহী বাস তেমন ছিল না। বেনাপোল থেকে আসা ট্রাকচালক সেকেন্দার বলেন, বুধবার রাত ১২টার দিকে ঘাট এলাকার ক্যানাল ঘাটে ট্রাকের সিরিয়ালে আটকে আছি। ঘাট পার হতে আর কতক্ষণ লাগবে বুঝছিনা। মালিকের দেওয়া খরচের টাকা সব ঘাটেই শেষ, বাকি রাস্তা কীভাবে যাবো, তা নিয়ে চিন্তায় আছি।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, ভোগান্তি ও যানজট কমাতে আমরা সর্বক্ষণ কাজ করছি। সংযোগ সড়ক ও র‍্যামের বিষয়টি বিআইডব্লিউটিএর ইঞ্জিনিয়ার শাখাকে জানিয়েছি। তারা এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। তিনি আরও বলেন, ঘাটে এখন ২০টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। তবে সপ্তাহ খানেক ধরে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে ঘাটের এমন সব পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের অবহিত করা আছে আশা করি দ্রুত এর সমাধান হবে।

Lab Scan