পাওনাদারকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন বাঘারপাড়ার গৃহবধূ রোজিনা

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পাওনাদারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন বাঘারপাড়ার গৃহবধু মোছাঃ রোজিনা খাতুন। বর্তমানে তিনি দেনাদার ইসহক বিশ্বাস ইছার দায়ের করা মামলার আসামি হয়ে কারাবন্দি আছেন। গৃহবধু মোছাঃ রোজিনা খাতুন বাঘারপাড়া উপজেলার মালয়েশিয়া প্রবাসী আবু সাঈদ বিশ্বাসের স্ত্রী। মামলার এজাহার ও বাদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, আসামির স্বামী আবু সাঈদ বিশ্বাস ২০০৯ সালে বাদী ইসহক বিশ্বাস ইছার কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা ধার নেওয়ার পর টাকা না দিয়ে মালয়েশিয়া পাড়ি জমান। এরপর থেকে স্ত্রী রোজিনা খাতুন টাকা না দিতে ছল চাতুরির আশ্রয়  নেন। পরে তিনি পাওনাদরের নামে ধর্ষণ ও নির্যাতন মামলা দায়ের করেন। মোছাঃ রোজিনা খাতুন, তার দেবর সাইফুল ইসলামের স্ত্রী আরজিনা খাতুন, ননদ রেহেনা খাতুন, শ্বশুর আব্দুল হক, প্রতিবেশেী আবু তালেবের স্ত্রী রিজিয়া খাতুনকে এই মামলায় সাক্ষী করেন। মামলায় ইসহক বিশ্বাস ইছা হাজতবাসও করেন। তৎকালীন বাঘারপাড়া থানার ওসি শামীম মূসা প্রথমে এবং পরে এস আই মিজানুর রহমান এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। তদন্তে তিনি নির্দোশ প্রমাণিত হওয়ায় আদলত ২০১৭ সালে মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেন। একই সাথে বাদী ও সাক্ষীগণের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়। পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে রোজিনা খাতুনকে ১ নম্বর আসামি ও ৪ সাক্ষীর নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেন । মামলার আসামিরা আদালতে হাজির না হওয়ায় তাদের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। সাম্প্রতি ওই মামলায় বাঘারপাড়া থানা পুলিশ রোজিনা খাতুনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে । পরে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। অন্য আসামিদের পুলিশ এখনো আটক করতে পারে নি। তারা সকলেই পলাতক আছেন। মামলার বাদির অভিযোগ, আসামি মোঃ রোজিনা খাতুন মিথ্যা মামলায় হয়রানি করার পাশাপাশি তাকে বিভিন্ন সময় পুলিশ দিয়ে তাকে শারিরীক নির্যাতনসহ অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বতর্মানে পঙ্গু জীবন যাপন কছেন বলে তিনি জানান। আসামির এই কর্মকান্ডের জন্য আদালতের কাছে সঠিক বিচার দাবি করেছেন। গতকাল রোববার আসামির জামিন আবেদন করা হলে আদালত নামঞ্জুর করেন।

 

Lab Scan