পতনের বাজারে কমল মূল্য আয় অনুপাত

লোকসমাজ ডেস্ক।। গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই দেশের শেয়ারবাজারে মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে দাম কমেছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। ফলে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের চার কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে দরপতন হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্সসহ বাকি দুটি সূচকেরও বড় পতন হয়েছে। সূচকের এই পতনের মধ্যে বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেয়া ৫৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের এই দরপতনের কারণে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই কমেছে দেড় শতাংশের ওপরে। গত সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই ছিল ১২ দশমিক ৮১ পয়েন্টে। যা সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষেও দাঁড়য়েছে ১২ দশমিক ৬১ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত কমেছে দশমিক ২০ পয়েনট বা ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
খাতভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বরাবরের মতো সব থেকে কম পিই রেশিও রয়েছে ব্যাংক খাতের। সপ্তাহ শেষে ব্যাংক খাতের পিই রেশিও অবস্থান করছে ৭ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পিই ১০ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর পরের স্থানে রয়েছে টেলিযোগাযোগ খাত। এ খাতের পিই ১২ দশমিক ৭৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এছাড়া সেবা ও আবাসন খাতের ১৩ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট, বীমা খাতের ১৫ দশমিক ৩০ পয়েন্ট, প্রকৌশল খাতের ১৩ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট, বস্ত্র খাতের ১৫ দশমিক ৭৮ পয়েন্ট, খাদ্য খাতের ১৬ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ১৮ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট, বিবিধ খাতের ১৯ দশমকি ৮০ পয়েন্ট এবং আর্থিক খাতের ১৯ দশমিক ৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
বাকি খাতগুলোর পিইও রেশিও ২০ পয়েন্টের ওপরে। এর মধ্যে- তথ্যপ্রযুক্তির ২১ দশমিক ৯০ পয়েন্ট, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের ২৩ দশমিক ২৯ পয়েন্ট, সিরামিক খাতের ২৬ দশমিক শূন্য ৫ পয়েন্ট, চামড়া খাতের ২৪ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট, সিমেন্ট খাতের ৩০ দশমিক ১৬ পয়েন্ট, পেপার খাতের ২২ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট এবং পাট খাতের ৪০৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

ভাগ