দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় বরকত-রুবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানার মামলায় ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই- শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করেছে আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
একই সঙ্গে এ মামলার পলাতক আসামি খন্দকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, এএইচএম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম ওরফে নাসিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৩ অক্টোবর দিন ধার্য করে আদালত। এর আগে ৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার উত্তম কুমার বিশ্বাস। অভিযুক্ত অন্যরা হলেন, ফরিদপুর শহরের নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, আসিকুর রহমান ফারহান।
গত বছরের ২৬ জুন সিআইডি’র পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে অর্থ পাচারের অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দুই হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।
মামলার এজাহারে উলে¬খ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হন বরকত ও রুবেল।
এ ছাড়া তারা মাদক কারবারি এবং ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ করেছেন। তারা এসি ও নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ড্রাম ট্রাক, বোল্ডার ও পাজেরো গাড়ির মালিক হয়েছেন। সেই সঙ্গে তারা দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেন বলে মামলার এজাহারে উলে¬খ করা হয়। এর আগে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে হামলার ঘটনায় করা মামলায়ও আলোচিত দুই ভাই রুবেল-বরকতসহ ৪৯ জনের নামে গত ২৫ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

Lab Scan