দালালদের মাধ্যমে ভারতে যাওয়া ২০ কিশোর কিশোরী দু বছর কারাভোগের পর দেশে ফিরল

0

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা ॥ ভালো চাকরির আশায় দালালদের মাধ্যমে অবৈধ পথে ভারতে গিয়ে দুই বছর কারাভোগের পর বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন ২০ কিশোর- কিশোরী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে। পরে পরিবারের কাছে তুলে দেওয়ার জন্য জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামে একটি এনজিও সংস্থার কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়। ফেরত আসা কিশোর-কিশোরীরা হলো- রাবেয়া খাতুন (১৬), রাফিজা খাতুন,(১৫) আদনান হোসেন (১৪) বাপি ধর (১৫), হাসিব ফকির,(১৪) সুমন মোল্লা,(১৬) সবুজ মোল্লা,(১৪) রুপা খাতুন (১৫), ইমদাদুল হোসেন(১৪),জুনায়েদ শেখ(১৪), আলাউদ্দিন শেখ (১৪), আবু জাফর সিকদার(১৫), সুইটি (১৪), নুর খাতুন(১৫), সুমি খাতুন,(১৪) মেঘলা রায় (১৩), ছামিয়া খাতুন,(১৪)সুমাইয়া খাতুন(১৫),সঞ্জিব (১৫)ও কমলা সুন্দরী(১৪)। এরা নোয়াখালী, নড়াইল, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ও জেলার বাসিন্দা। গত আড়াই বছর আগে দালালদের খপ্পরে পরে তারা ভারতে পাচার হয়। বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, গত আড়াই বছর আগে ভালো কাজের আশায় এ সব কিশোর-কিশোরী দালালের মাধ্যমে ভারতের কলকাতায় যায়। দালালরা তাদের কোনো কাজ না দিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাদের আটক করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা হয় দুই বছরের। সাজা শেষে কলকাতার একটি শেল্টার হোমে রাখা হয় তাদের। ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে গতকাল বৃহস্পতিবার তারা দেশে ফিরে আসে। ফিরে আসা রাবেয়া থাতুন জানায়, ‘আমরা দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। ছোট দুটি ভাই বোন নিয়ে আমাদের সংসার। তাদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার জন্য ভালো আয়-রোজগারের আশায় দালালের মাধ্যমে ভারতে যাই। কিন্তু ভারতের কলকাতায় দালালরা আমাদের ফেলে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ আমাদের আটক করে। দুই দেশের সরকারের বিশেষ সহায়তায় আজ দেশে ফিরে আসি।’

Lab Scan