তৃতীয় সন্তানটিও কন্যা তাই …!

0

আজিজুল ইসলাম, বাগআঁচড়া(যশোর)॥ যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া গাজী পাড়ায় সদ্য জন্ম নেওয়া এক নবজাতককে অন্য একটি দম্পতির হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে নবজাতকের পিতা রাজু আহমেদের বিরুদ্ধে। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে নবজাতককে ফিরিয়ে আনা হয়। শনিবার সকালে রাজু আহমেদের স্ত্রী শিরিনা খাতুন তৃতীয় বারের মত একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। প্রসব করার এক ঘণ্টার মধ্যে বাচ্চাটিকে তার ফুফু শ্বাশুড়ি রিজিয়ার মাধ্যমে নাভারণ কুন্দিপুর গ্রামের তৈয়মুরের কাছে হস্তান্তর করে। এ বিষয়ে নবজাতকের পিতা রাজু আহমেদ বলেন, আমার ২ টা কন্যা সন্তান আছে, পুত্র সন্তানের আশায় আবারও বাচ্চা নেওয়ার প্রাক্কালে তৃতীয় বার মেয়ে সন্তান হওয়ায় বাচ্চাটিকে আমরা নিঃসন্তান এক দম্পতিকে দিয়ে দিই।
রাজু আহমেদের স্ত্রী শিরিনাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনিও একই কথা বলেন। আইনি প্রক্রিয়ায় বাচ্চা হস্তান্তর করেছেন কিনা জানতে চাইলে রাজু আহমেদ বলেন, না তা করিনি। কেন করেননি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা জানিনা আইনি প্রক্রিয়ায় বাচ্চা অন্য কাউকে দিতে হয় কিনা। এদিকে যার মাধ্যমে বাচ্চা হস্তান্তর করা হয়েছে সেই রিজিয়া খাতুন বলেন, বাচ্চা তো দিয়ে এসেছি। কাকে দিয়ে এসেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার নিঃসন্তান ছেলে বউয়ের জন্য বাচ্চা চেয়েছিলাম। কিন্তু রাজু দিতে রাজি হয়নি তাই আমার বৌমার ভাই নাভারনের তৌমুরকে দিয়ে এসেছি। মুঠোফোনে তৈমুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাচ্চা আমি নিয়েছি, তবে বাচ্চাটা যশোরের চাচাতো বোনকে দিব। আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, কোন টাকা পয়সার লেনদেন হয়নি। এ বিষয়ে বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি মিটিংয়ে আছি, এবিষয়ে কিছু জানি না। এই ঘটনাটি জানাজানি হলে দুপুর দুইটার দিকে তৈমুরের বাড়ি থেকে নবজাতক টিকে ফিরিয়ে আনা হয়।

Lab Scan