জামিনে মুক্ত হয়ে ফের নারী পাচার করতে গিয়ে আটক

স্টাফ রিপোর্টার, মনিরামপুর ও রাজগঞ্জ (যশোর) সংবাদদাতা ॥ নারী পাচার মামলায় মাত্র ১৫ দিন আগে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও সেই কাজটি করতে গিয়ে আটক হয়েছে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার এক যুবক। এবার সে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এক কিশোরীকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার সময় আটক হয়েছে বেনাপোল সীমান্তে।
আটক আলমগীর হোসেন (২৮) মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জের ঝাপা মিস্ত্রিপাড়ার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
মনিরামপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক জানান, আলমগীর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সহজ-সরল মেয়েদের ভারতে পাচার করে। সে নারী পাচারকারী দলের হোতা। ইতিমধ্যে সে তিনটি বিয়ে করে। বিয়ের পর আসল ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়লে প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। বর্তমান ছোট স্ত্রী শ্যামলী খাতুনও তাকে ছেড়ে পিতার বাড়িতে অবস্থান করছেন। একটি নারী পাচার মামলায় আসামি হয়ে তিন মাস কারাভোগের পর ১৫ দিন আগে জামিনে মুক্ত হয়ে আবারো একই কাজে সক্রিয় হয়। সর্বশেষ প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সে তার গ্রামের মাদ্রসার অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গত বৃহস্পতিবার ভারতে পাচারের জন্য বেনাপোল সীমান্তের পাঁচভুলটে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের আচরণে সন্দেহ দেখা দিলে শুক্রবার রাতে স্থানীয় জনতা আলমগীরসহ ওই ছাত্রীকে আটক করে। খবর পেয়ে মণিরামপুরের রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাহমুদ হাসান ওই রাতেই সেখান থেকে তাদেরকে মণিরামপুরে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর পিতা বাদি হয়ে মনিরামপুর থানায় আলমগীরের বিরুদ্ধে নারী পাচারের একটি মামলা করেন।
মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, মামলার পর আলমগীরকে শনিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়। অন্যদিকে ওই কিশোরীকে তার পিতার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

ভাগ