জনগণের আস্থা অর্জন সরকারের দায়িত্ব

0

 

করোনা মহামারির ওপর ইউক্রেন যুদ্ধের বিরূপ প্রভাবে সারাবিশ্বে গত ৩০ বছরের মধ্যে বিশ্বে মূল্যস্ঠীতি ঘটেছে। বালাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। ফলে বাজারে নিত্যপণ্য থেকে শুরু করে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। এর সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরাও বাড়তি মুনাফা করতে নেমেছে। তাঁরা সুযোগ পেলে অতিরিক্ত মুনাফা করার উপায়গুলো কখনই কাজে লাগাতেন। ভুল করে না, এবারও করছে না। দেশে নেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য সরবরাহকারীদের জোট গড়ে ওঠেছে। সরবরাহ ঘাটতিকে ব্যবহার করে তারা সুবিধা নেওয়ার জন্য পুরো বাজারকে আতঙ্কে ফেলে দিয়ে সুবিধা আদায় করছে। জনগণের দুর্ভাগ্য যে সরকারের মন্ত্রীরা একথা প্রকাশ্য বললেও কিছু করতে পারছে না। আমাদের দেশে এরই মধ্যে যে মূল্যস্ফীতি ঘটে গেছে, তা মোকাবেলা করার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দৃশ্যমান হচ্ছে না। অতিদরিদ্র বা নিম্ন আয়ের লোকের পাশাপাশি নিম্নমধ্যবিত্ত, এমনকি মধ্যবিত্তের একটি বড় অংশের অবস্থাও এখন কাহিল। তাদের অনেকের আয় বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নেই। অনেকের আয় খুবই কম অনেকে আবার ভেঙে কোনো রকমে চলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর অর্থ হচ্ছে অর্থনীতিতে যে ধস চলছে। তা সরকার সামাল দিতে পারছে না। সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বাজার নিয়ন্বত্রণ করে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দফায় দফায় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। মানুষণ সরকারের ব্যর্থতায় হা হুতশ করছে। তারা আস্থা হারাচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত মূল্যস্ফীতির দুর্ভোগ কিভাবে কমানো যায়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া।
দরিদ্র মানুষ স্বল্প আয়ে চলতে পারছে না কিংবা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারছে না। সুতরাং বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এসব দরিদ্র লোকের জন্য কিছু ব্যবস্থা করতে হবে, তাদের সরকারি সহায়তা দিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের করণীয় হচ্ছে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি আরো বাড়িয়ে উপজেলা পর্যায়ে নিতে হবে। সম্ভব হলে গ্রামগঞ্জের জনবহুল হাটবাজারে নিতে হবে। সবার আগে এক্ষেত্রে দুর্নীতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
আমরা একটি স্থিতিশীল বাজারব্যবস্থা চাই। বাজার সিন্ডিকেট যাতে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সে জন্য সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রেখে ভোক্তাদের মধ্যে আস্থা

Lab Scan