ছাড়ছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দায়িত্ব, যাবেন কোথায়?

আগেভাগেই জানিয়ে রেখেছিলেন, ফলাফল যা-ই হোক অ্যাশেজ সিরিজের পরই ইংল্যান্ডের দায়িত্ব ছাড়বেন ট্রেভর বেলিস। অথচ এই দলটিকে স্বর্ণে মোড়ানো সাফল্য এনে দিয়েছেন তিনি। কোচ হিসেবে চাইলে আবারও নতুন চুক্তি করতে পারতেন। সেটিতে রাজি হননি বেলিস। বিদায়বেলায় ইংল্যান্ড কোচ জানালেন, শুধুমাত্র একটি দলের কাছ থেকে প্রস্তাব পেলেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আবারও কোচিং করাতে রাজি হবেন তিনি। কোন সে দল জানেন? বেলিসের নিজের দেশ অস্ট্রেলিয়া। চার বছরের মেয়াদে ইংল্যান্ডের কোচ ছিলেন বেলিস। এই সময়ে দলকে আমূল বদলে দিয়েছেন তিনি। ২০১৫ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ড থেকে বাদ পড়া ইংলিশরা পরের চার বছরে ওয়ানডে ক্রিকেটে শীর্ষে ওঠেছে, চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রথমবারের মতো জিতেছে ওয়ানডে বিশ্বকাপও।
বিশ্বকাপ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়েই ঘরের মাঠে অ্যাশেজ সিরিজে খেলতে নামে ইংল্যান্ড। এই সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত দারুণ এক জয়ে সমতা ফেরায় বেলিসের শিষ্যরা। ২০০১ সালের পর ঘরের মাঠে অ্যাশেজ না হারার রেকর্ডটাও অক্ষুণ্ন থাকে তাতে। ইংল্যান্ডের দায়িত্ব ছাড়ার পর আপাতত আইপিএলের পার্টটাইম চাকরি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোচ হিসেবে চুক্তি করেছেন। এখন আর কোনো আন্তর্জাতিক দলের কোচ হওয়ার ইচ্ছে নেই। শুধুমাত্র যদি অস্ট্রেলিয়া তাকে অফার করে, তবেই ভাববেন, জানালেন বেলিস। ৫৬ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, একমাত্র পূর্ণমেয়াদি দায়িত্ব নিতে পারি একটি প্রস্তাব পেলে। তবে আমার মনে হয়, সেখানে এখন একজন ভালো কোচ আছেন। জাস্টিন (ল্যাঙ্গার) দারুণ কাজ করছেন। বেশ কয়েকজন অস্ট্রেলিয়ান কোচ ওঠে আসছেন।’ তারপরও দেশের জন্য সবসময়ই দরজাটা খোলা রাখবেন বলে জানালেন বেলিস। তার ভাষায়, ‘আমি আইপিএলে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তবে অস্ট্রেলিয়ার কেউ যদি কোনো কিছুতে যুক্ত হতে বলেন, তবে তারা যা ভাবছেন তার চেয়েও বেশি খুশি হব আমি। যদি আমি সেখানে অবদান রাখতে পারি, দারুণ হবে। আর যদি সেটা না-ও হয়, তবু অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের ছেলেদের খেলতে দেখাটা উপভোগ করে যাব।’

ভাগ