চৌগাছা হাসপাতালের ডাঃ আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে অফিস ফাঁকির অভিযোগ ভোগান্তির শিকার মা ও শিশু

0

এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)॥ যশোরর চৌগাছা সরকারি মডেল হাসপাতালের ডাঃ আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে অফিস ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২.৫৫ মিনিটে হাসপাতালের ৫ নম্বর পিএনসি কর্নার তার চেম্বারে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। একটি সূত্রে জানা যায়, জুনিয়র কনসালট্যান্ট শিশু ডাঃ আব্দুস সামাদ চৌগাছা সরকারি মডেল হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই অফিস ফাঁকি দিয়ে আসছেন। হাসপাতালে একটি ভিআইপি রুমে তার নেমপ্লেট টানানো হলেও তিনি ঐ রুমে বসেন না বললেই চলে। প্রতিদিন তিনি দেরী করে আসলেও চলে যান সবার আগে।

অভিযোগ উঠেছে তিনি চৌগাছা হাসপাতালে অবস্থান করেন কেবল মাত্র রোগীদের যশোর নিজের প্রাইভেট চেম্বারের ঠিকানা দেওয়ার জন্য। তিনি সরকারি হাসপাতালে ঠিকমত রোগী দেখেন না। দুএকটি শিশু রোগী দেখলেও প্রাই তাদের অভিভাবকদের সাথে খারাপ আচারণ করার অভিযোগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার চৌগাছা হাসপাতালে শিশুকে ডাক্তার দেখাতে আসা উপজেলার কুলি গ্রামের ইতি খাতুন ও গুয়াতলী গ্রামের আছিয়া খাতুনসহ ৭/৮ জন বলেন, আমরা ১২ টার দিকে হাসপাতালে এসেছি ওদিক থেকে টিকিট নিয়ে এসে ৫ নম্বর রুমে আসি। এখানে এসে দেখছি রুম খোলা থাকলেও ডাক্তার নেই। ডাক্তারের অপেক্ষায় রুমের সামনে অনেক ক্ষনযাবৎ দাড়িয়ে রয়েছি। তখন সময় ১২ টা ৫৫ মিনিট এ প্রতিবেদক ডাক্তারকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজে না পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার লাকির রুমে গেলে তিনি বলেন, এখনো ১টাও বাজেনি জুনিয়র কনসালট্যান্ট শিশু ডাঃ আব্দুস সামাদ ৫ নম্বর রুমে আছেন নিচে গিয়ে দেখেন। ফিরে এসেও তাকে না পেয়ে শেষে মোবাইল করা হয়। চার বার কলদিলে তিনি রির্সিভ করে বলেন, আমি হাসপাতাল থেকে চলে এসেছি। আপনি হাসপাতালের সামনে কোন ঔষধের দোকানে গিয়ে আমার ফোন ধরিয়ে দেন আমি বলে দিচ্ছি কি কি ঔষধ দিতে হবে। প্রতিদিন তিনি দেরী করে আসেন ও সময়ের আগে চলে যান। ফলে প্রতিনিয়ত দারুণ ভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন মা ও শিশুরা। হাসপাতালের একটি সুত্রে জানা যায়, যে টুকু সময় তিনি রুমে বসেন বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর প্রনিধিদের সাথে ভিজিটে ব্যবস্থ থাকেন। সময়ের আগে হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে জুনিয়র কনসালট্যান্ট শিশু ডাঃ আব্দুস সামাদ বলেন এ ব্যাপারে আপনি অফিসে কথা বলেন। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার লাকি বলেন, হাসপাতালের অফিস টাইম সকাল ৮.৩০ মিনিট থেকে বেলা ২.৩০ মিনিট তিনি কি ভাবে প্রতিদিন চলে যান আমার জানা নেই। আপনি নিজেতো এসে দেখলেন এখনো ১ টা বাজেনি তিনি চলে গেছেন। আমাকে তো বলে যাননি।

Lab Scan