চৌগাছা উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন

0

স্টাফ রিপোর্টার, চৌগাছা (যশোর) ॥ চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহার লাকির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির নেতৃবৃন্দ হাসপাতালে উপস্থিত হন। সকাল সাড়ে ১০টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রশিক্ষণ হলরুমে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায়।
করোনাকালীন হাসপাতালের স্বাস্থ্য খাতের নানা অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। চলতি মাসের প্রথম দিকে এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়। একপর্যায়ে গত ১৮ আগস্ট খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের চিঠি পাঠায় চৌগাছা হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সাত কার্যদিবসের শেষ দিনে তদন্তের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হন স্বাস্থ্য বিভাগের গঠিত তদন্ত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। এরা হলেন, তদন্ত বোর্ডের সভাপতি মাগুরা জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার শহীদুল্লাহ দেওয়ান, সদস্য ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রশিদুল ইসলাম ও যশোর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রেহেনেওয়াজ।
সূত্র জানায়, অনিয়মের তদন্ত কার্যক্রম ভিন্নখাতে নিতে তৎপর ছিলেন অভিযুক্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার। একটি অপ্রচলিত পত্রিকার কাটিং নথিভুক্ত দেখিয়ে তদন্ত কার্যক্রম ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করেন এই কর্মকর্তা। এমন ঘটনা তদন্ত কমিটির নিকট প্রতীয়মান হলে তারা ক্ষুব্ধ হন। তদন্ত কমিটির সদস্যরা এ সময় বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য প্রমাণ গ্রহণ করেন। তদন্ত চলাকালীন প্রকাশিত রিপোর্টের সতত্য মিললে তিনি স্টোর কিপার, কুকারের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। বিভিন্ন নথিপত্র ও ভুয়া বিল ভাউচারের নানা প্রশ্নের জবাবে এসব কর্মচারী সঠিক উত্তর দিতে ব্যর্থ হন। তদন্ত বোর্ডের সভাপতি মাগুরা জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার শহীদুল্লাহ দেওয়ান এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘তদন্তে বেশকিছু তথ্য উপাত্ত পেয়েছি। এগুলো আরও যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। আশা করছি, সঠিক সিদ্ধান্ত আপনারা জানতে পারবেন।’

Lab Scan