চেক পেয়ে খুশি অধিগ্রহণকৃত জমির মালিকরা

বাগেরহাট সংবাদদাতা ॥ জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবর রহমান হাওলাদার বলেছেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণের সেবা দেয়ার যে প্রতিশ্রুতি ছিল সরকারের, তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন এক প্রশংসনীয় উদ‌্যোগ গ্রহণ করেছে। রোববার সন্ধ‌্যায় বাগেরহাট শহরের ভৈরব নদী পাড়ে অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, নদী উদ্ধারে জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। রাষ্ট্রের ও জনগণের সম্পত্তি রক্ষা করে আগামী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এজন্য নিজ নিজ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে নদী রক্ষার কাজ সহজ হবে। পরে বাগেরহাট খানজাহান আলী বিমানবন্দরের অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন।
রামপাল উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের জমির মালিক কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের এখন আর চেক পেতে হয়রানি হতে হয় না । অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণের চেক পেয়ে আমি খুশি হয়েছি।’ বাগেরহাট জেলা ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জমির মালিকদের কাছে চেক পৌঁছে দিচ্ছি, যাতে তাদের কোন প্রকার খরচ করতে না হয়। আমরা সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছি। এরই আলোকে রোববার নয় জমির মালিককে ১৭ লাখ ৩১ হাজার ৫’শ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। এসময় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানজিল্লুর রহমান, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভাগ