খুলনায় যুবলীগ নেতা লিংকনের মিল দখলের তদন্তু শুরু করেছে সরকার

খুলনা ব্যুরো ॥ খুলনার খান জাহান আলী থানা যুবলীগ আহ্বায়ক সাজ্জাদুর রহমান লিংকনের বিরুদ্ধে জুট মিল দখলের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা আইন শাখার সহকারী সচিব শরীফুল আলম তানভির স্বারিত পত্রে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের মহা পরিদর্শক,পুলিশ অধিদপ্তর ঢাকা এবং খুলনার পুলিশ কর্তৃপকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পত্রে বলা হয় আবেদনকারী দৌলতপুর মিরেরডাঙ্গায় অ্যাজাক্স জুট মিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাওছার জামান বাবলা জানান ,২০১৫ সালের শেষের দিকে কারখানরাটি বন্ধ হয়ে যায়। মিলটি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৮১ একর জমির ওপর অবস্থিত। মিলটি বন্ধ হবার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ মিলটি দখল করে রেখেছেন। মিল মালিক এর আগে বিভিন্ন স্থানে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো ফল পাননি মর্মে আবেদন পত্রে উল্লেখ করেছেন। তিনি অভিযুক্তক ব্যক্তিগণের কাছ থেকে মিলটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন।
মিল প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তার আবেদন পত্রে আরও উল্লেখ করেন, সাজ্জাদুর রহমান লিংকন মিল বন্ধ থাকা এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপর অনুপস্থিতিতে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে মিলটি দখল করে নেয়। সে মিলের মূল্যবান যন্ত্রাংশ অপসারণ করে ফেলেছে। মিলের খোলা ৫০ একর জমিতে সার মজুদ করে তখন থেকে প্রতি মাসে ২০ লাখ টাকা ভাড়া আদায় করে আসছে। যা গত চার বছরে প্রায় ৬ কোটি টাকার ওপরে হবে। অ্যাজাক্স জুট মিলের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সোনলী ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা টয়েনবি সার্কলার রোড়, মতিঝিল ঢাকা শাখার নিকট দায়বদ্ধ ।
দলের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমানের নগদ ৮ কোটি টাকা আওয়ামী লীগ নেতা এস এম মনিরুজ্জামান মুকুলকে ঋণ দেওয়া ঘটনার মামলার নথিপত্রসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে অভিযোগ আকারে দাখিল করা হয়েছে । মিল দখলের ঘটনায় যুবলীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমান লিংকন সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করে ছিলেন যে, মিলের মালিকনা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তিনি এক পরে মৌখিক অনুমতি নিয়ে মিলে সার মজুদ করেছেন।

ভাগ