কোচ হিসেবে ৪৫ রানে ৬ উইকেট আমার জন্য ভালো কিছু নয়: সিডন্স

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশে এসেছেন জাতীয় দলের সাবেক হেড কোচ জেমি সিডন্স। যার নতুন পদবি বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং পরামর্শক। অবশ্য এই দায়িত্বে তিনি কাজ শুরু করেছেন মাত্র তিনদিন ধরে। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলতি সিরিজ শুরুর আগের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন সিডন্স। তবে সবমিলিয়ে নতুন দায়িত্ব নিতে এসে বাংলাদেশে প্রায় মাসখানেক কাটিয়ে ফেলেছেন এ অস্ট্রেলিয়ান কোচ। এই এক মাসের অভিজ্ঞতা জানিয়েই এক ভিডিওবার্তা দিয়েছেন সিডন্স। যেখানে জানিয়েছেন, কেমন কাটলো বাংলাদেশে তার প্রথম মাস। ভিডিওবার্তায় সিডন্স বলেন, ‘আমি এখন চট্টগ্রামে আছি। যেখানে আমরা আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলছি। গত রাতে আমরা প্রথম ম্যাচ খেলেছি। অবিশ্বাস্য একটি ম্যাচ ছিল এটি। এ বিষয়ে কথা বলছি একটু পর।’
সিডন্স যখন বাংলাদেশে তখন চলছিল বিপিএলের খেলা। ঢাকায় অবতরণের পরদিনই মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে গিয়ে বিপিএলের খেলা দেখেন সিডন্স। পরে সিলেট পর্বেও তিনি গিয়েছিলেন বিপিএলের খেলা দেখতে। পাশাপাশি ঘুরে দেখেছেন সিলেটের নতুন মাঠের সুযোগ সুবিধা। তবে বিপিএল শেষ হওয়ার আগেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন সিডন্স। সে কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমার প্রথম দশ দিন দুর্দান্ত ছিল। অনেক খেলোয়াড়ের সঙ্গে দেখা হয়েছে কথা হয়েছে। পরে বিপিএল দেখলাম, যেখানে দারুণ ক্রিকেট হয়েছে। পরের দশ দিন আমি করোনা আক্রান্ত হয়ে হোটেলে আইসোলেশনে ছিলাম।’ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণেই মূলত দলের সঙ্গে চট্টগ্রামে আসতে পারেননি সিডন্স। পরেরদিন চট্টগ্রাম পৌঁছেই চলে যান দলের অনুশীলনে। ম্যাচের আগেরদিন তার সঙ্গে এক বেলা কাজ করার সুযোগ পান তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমরা। অবশ্য ব্যাটিং কোচ হিসেবে চট্টগ্রামে প্রথম ম্যাচটি মোটেও সুখকর ছিল না সিডন্সের জন্য। কেননা আফগান বাঁহাতি পেসার ফজল হক ফারুকির আগুনঝরা বোলিংয়ে মাত্র ৪৫ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত আফিফ হোসেন ও মেহেদি মিরাজের ব্যাটে ভর করে জয় পেলেও, শুরুর সেই বিপর্যয়ের কথা বলতে ভোলেননি সিডন্স। তার ভাষ্য, ‘গত রাতে আমাদের প্রথম ম্যাচ ছিল। এর আগে একটি ট্রেনিং সেশন ছিল। এরপরই প্রথম ম্যাচে নেমে যেতে হয়েছে। আমরা জয় দিয়েই শুরু করেছি। শেষ দিকে গিয়ে সহজ জয়ই পেয়েছি। তবে শুরুতে আমরা চল্লিশের ঘরে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলি, যা ব্যাটিং কোচ হিসেবে আমার জন্য ভালো কিছু নয়।’

Lab Scan