কালো-সাদার পরে এবার হলুদ ফাঙ্গাস

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ সেবন্তী ভট্টাচার্য॥ কালো-সাদার পরে হলুদ ফাঙ্গাসের সংক্রমণ দেশে। ভারতের গাজিয়াবাদে হলুদ ছত্রাকের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন একজন। ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডক্টর ব্রিজ ত্যাগীর হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্ল্যাক ও হোয়াইট ফাঙ্গাসের থেকেও নাকি বেশি সংক্রামক এই ইয়েলো ফাঙ্গাস। এই ছত্রাকের সংক্রমণে শরীরের অভ্যন্তরভাগে জটিল রোগ হয় বলে জানা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কো-মর্বিডিটির রোগীদের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। শরীরে নানা রোগ থাকলে ও প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হলে এই ছত্রাকের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। ইনফ্ল্যামেশন বা অধিক প্রদাহ বন্ধ করার জন্য যে ধরনের ওষুধের থেরাপি করেন ডাক্তাররা, তার ডোজের যদি হেরফের হয় বা একটানা এমন ওষুধের থেরাপিতে থাকেন রোগীরা, তাহলে হলুদ ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।,ইয়েলো ফাঙ্গাস ছড়ায় কীভাবে? অপরিচ্ছন্ন জায়গা থেকে হলুদ ফাঙ্গাসের সংক্রমণ ছড়ায় বেশি।
তাছাড়া বাসি, পচা খাবার, নোংরা-আবর্জনায় এই ছত্রাক জন্মায়। ব্ল্যাক ও হোয়াইট ফাঙ্গাসের সংক্রমণ হলে তা ধীরে ধীরে শরীরের নানা অঙ্গে ছড়ায়। কিন্তু হলুদ ছত্রাকের সংক্রমণ সরাসরি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোকে আক্রান্ত করে। খাদ্যনালী, অন্ত্র সংক্রমিত হয়। মাল্টি-অর্গ্যান ফেলিওরের ঝুঁকি বেড়ে যায় রোগীর। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সংক্রমণ বা মিউকরমাইকোসিসের মতো নেক্রোসিস হতেও দেখা যায় রোগীর শরীরে। নেক্রোসিস মানে হলো মৃত কোষ। একটার পর একটা কোষ আক্রান্ত হয়ে নষ্ট হতে শুরু করে। ফলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো বিকল হতে থাকে। খিদে কম ,শারীরিক অস্বস্তি, প্রচণ্ড দুর্বলতা ,ওজন কমে যাওয়া ক্ষতস্থান সারতে দেরি হওয়া, পুঁজ বা রক্ত বেরনো ,ঝাপসা দৃষ্টি ,নানা অঙ্গে রোগ- এসব দেখলেই বুঝবেন আপনি হলুদ ছত্রাকের কবলে পড়েছেন।

Lab Scan