কপিলমুনির রাস্তার শোভা বাড়াচ্ছে আমঝুম

0

কপিলমুনি (খুলনা) সংবাদদাতা॥ রাস্তার পাশে রং ছড়াচ্ছে বাহারি আমঝুম ফল। গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে আমঝুম ফল। দেখলে মন জুড়িয়ে যায়। এ ফলটি কাচা অবস্থায় সবুজ বর্ণের। আধাপাকা হলে গোলাপি-লাল এবং পরিপূর্ণ পাকলে লালচে কালো রঙ ধারণ করে। আধা পাকা এ ফল খেতে কষযুক্ত। আমঝুম ফল পাকলে কষাভাব অনেকটা কমে যায়। স্বাদে কষ হওয়ায় এ ফলটিকে কষটি ফলও বলা হয়।
কাচা হলুদ,কমলা ও কালো রংয়ের বাহারি আমঝুম থোকায় থোকায় ঝুলছে কপিলমুনির প্রধান সড়কের গদাইপুর ও নতুন বাজারের পাশের গাছে। এটি অপ্রচলিত একটি গাছ ও ফল। নানা নামে প্রচলিত। এলাকাভিত্তিক নাম ভিন্ন ভিন্ন। খুলনা অঞ্চলে আমঝুম,নিনজিল ও কাউয়াঠুটি নামে পরিচিত। অঞ্চলভেদে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমঝুম ফল, ছাগলবড়ই, ছেরাবেরা, ছাগলনেদি, টাটই, কাউয়াঠুটি, খেজুরজাম, ভূতিজাম ইত্যাদি নামেও পরিচিত। ভারতের পূর্ব-মেদিনীপুর, হুগলি ও হাওড়ার গ্রামাঞ্চলে এটিকে রাখালফলও বলা হয়। ফলটি জিভ ও মুখের ঘা এবং রক্তহীণতা দূর করে। প্রয়োজনীয় খনিজ লবণ ও ভিটামিনসমৃদ্ধ এই ফলটি দেহের রোগ প্রতিরোধ-ক্ষমতাও বাড়ায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘লেপিস্যান্থেস রুবিগিনোসা শেপিনডেসি’।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১৩০ রকম ফলের সন্ধান পাওয়া গেছে। যার মধ্যে প্রায় ৭০টি ফল অপ্রচলিত বা স্বল্প পরিচিত।এর মধ্যে রয়েছে কাউফল, নোয়াল, উড়িআম, লুকলুকি, বৈচি প্রভৃতি।

 

Lab Scan