আমদানি বন্ধ থাকলেও বাড়েনি পেঁয়াজের দাম, স্বস্তিতে ক্রেতারা

0

লোকসমাজ ডেস্ক॥ আমদানি বন্ধ থাকলেও পেঁয়াজের দাম কমতির দিকেআমদানি বন্ধ থাকলেও পেঁয়াজের দাম কমতির দিকেদিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত ১৩ দিন ধরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। আগের আমদানিকৃত পেঁয়াজ এখনও শেষ হয়নি। এ কারণে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দাম কমতির দিকে রয়েছে।ভারতীয় পেঁয়াজ ১৬ টাকা কেজি দরে এবং দেশীয় পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মাঝে। এদিকে গুদামে মজুত পেঁয়াজ শেষ হলে আমদানি চালুর আশা আমদানিকারকদের।
হিলি বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা আমিনুল ইসলাম বলেন, রমজানে সব পণ্যের দাম যখন ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের বাজার কিছুটা স্বস্তিদায়ক। প্রতিবছর রমজানে পেঁয়াজের বাজারে আগুন লাগলেও এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। আগে পেঁয়াজ ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছিল, রমজান শুরুর পর কমে ১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজ বিক্রেতা শাকিল খান বলেন, রমজানের আগে বন্দর দিয়ে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় বর্তমানে বন্ধ। তবে বাজারে পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এ কারণে দাম আগের মতোই আছে। তবে ক্রেতা সংকট দেখা দিয়েছে। বিক্রি নেই বললেই চলে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী ২৯ মার্চ পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে—এই খবরে বন্দরের আমদানিকারকদের যার যতটুকু ইমপোর্ট পারমিট নেওয়া ছিল এবং এলসি খোলা ছিল, সেগুলোর বিপরীতে পেঁয়াজ আমদানি করেন। এতে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের বাড়তি আমদানি হতে থাকে। ২৯ মার্চ পর্যন্ত প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হয়। মজুত পেঁয়াজ শেষ হলে আবারও আমদানি শুরু হবে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে সর্বশেষ ২৯ মার্চ একদিনে ৬৩টি ট্রাকে এক হাজার ৬৯০ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত বন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ রয়েছে।

Lab Scan