অমিতসহ বিএনপির তিন নেতাকর্মী কারামুক্ত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী পরিষদের খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ দলের ৩ নেতাকর্মী পুলিশের দায়ের করা কথিত নাশকতার মামলায় জামিন পেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার ধার্য দিনে যশোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। পরে বিকেল সাড়ে ৩ টার পর বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ ৩ নেতাকর্মী যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করেন। এর আগে দুপুর থেকে নেতাকর্মীরা কারাগারের প্রধান ফটকে তাদের নেতার অপোয় ছিলেন।
বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, মঙ্গলবার ছিল জামিন আবেদনের শুনানির ধার্য দিন। এদিন সকালে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ ৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন পাওয়া অপর দুজন হচ্ছেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ ও সাবেক যুবদল নেতা মশিয়ার রহমান।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে আনা হলে সেখানে গিয়ে তার সাথে দেখা করেন বড় ভাই দৈনিক লোকসমাজ-এর প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত। এছাড়া দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী আদালত এলাকায় ছুটে যান। নেতৃবৃন্দের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হচ্ছেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন,সদস্য সচিব অ্যাড.সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সদস্য গোলাম রেজা দুলু, মিজানুর রহমান খান, অ্যাড. হাজি আনিছুর রহমান মুকুল, কোতয়ালি থানা বিএনপির সভাপতি নুর উন নবী, সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম, নড়াইল জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান সুজা, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফেরদৌসী বেগম, মহিলা দলের নেত্রী সেলিনা পারভীন শেলি, জেলা মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক ইসমাইল হোসেন টেনিয়া, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমীর ফয়সাল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পী, ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম, সাবেক চেয়ারমান আঞ্জুরুল হক খোকন, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত সোমবার বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ একই দলের ৩ নেতাকর্মী পুলিশের দায়ের করা কথিত একটি নাশকতার মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালের ১৪ জুন কোতয়ালি থানা পুলিশের এসআই মো. নুর উন নবী বাদি হয়ে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৪১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করে কথিত ওই নাশকতার মামলাটি (নং-৫৬) করেছিলেন।

ভাগ