১২ বছরে বৈশ্বিক চাহিদা বাড়বে দৈনিক ৪৪ লাখ ব্যারেল

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের চাহিদা। এ ধারাবাহিকতায় আগামী এক যুগে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা বর্তমানের তুলনায় দৈনিক ৪৪ লাখ ব্যারেল বাড়তে পারে। চায়না ইন্টারন্যাশনাল ইউনাইটেড পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড কেমিক্যালস কোম্পানি লিমিটেডের (ইউনিপেক) পক্ষ থেকে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স ও সিনহুয়া।
বার্ষিক এশিয়া প্যাসিফিক পেট্রোলিয়াম কনফারেন্সে (এপিপিউসি) অংশ নিয়ে গতকাল প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট চেন বো বলেন, বর্তমানে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা রয়েছে দৈনিক প্রায় ১০ লাখ টন। পরবর্তী এক যুগে (২০৩০ সালের মাঝামাঝি সময়ে) বিশ্বব্যাপী জ্বালানি পণ্যটির দৈনিক গড় চাহিদা বেড়ে ১০ কোটি ৪৪ লাখ ব্যারেলে দাঁড়াতে পারে। অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা বর্তমানের তুলনায় দৈনিক ৪৪ লাখ ব্যারেল বাড়তে পারে।
তিনি আরো বলেন, ২০১৮-৩৫ সময়টা অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক ব্যবহার ও পরিশোধন সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে স্বর্ণযুগ বিবেচিত হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি বড় বড় পরিশোধন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। জ্বালানি তেল পরিশোধন খাতে এ সময় বিনিয়োগের পরিমাণও বাড়বে। তবে ২০৩৫ সাল পরবর্তী সময়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক ব্যবহার ও পরিশোধন সক্ষমতা বৃদ্ধির গতি তুলনামূলক শ্লথ হয়ে আসতে পারে। এ সময় থেকে বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য বিকল্প জ্বালানি খাত ফুলেফেঁপে উঠতে শুরু করবে।
চেন বো জানান, ২০৩৫ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের পরিশোধন সক্ষমতা দাঁড়াতে পারে বছরে ৫৬০ কোটি টনে। এ সময় নাগাদ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বৈশ্বিক ব্যবহারেও প্রবৃদ্ধি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভাগ