যশোর নার্সিং ইনস্টিটিউট গোপনে অফিসের কাগজ ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি

স্টাফ রিপোর্টার॥ সরকারি কোন নিয়ম নীতি মানছেন না যশোর নার্সিং ইনস্টিটিউট কর্তৃপ। সরকারি নিয়ম উপো করে ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ সেলিনা ইয়াসমিন পূষ্প গতকাল অফিসের মূল্যবান কাগজপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী গোপনে বিক্রি করে দিয়েছেন। বিক্রি করা মালামারের টাকা নিজেরা ভাগ করে নিয়েছেন। সূত্র জানিয়েছে, সরকারি অফিসের কোন কাগজপত্র বা যে কোন জিনিস বিক্র করতে হলে উর্ধ্বতম কর্তৃপরে অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু কোন অনুমতি না নিয়েই যশোর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ সেলিনা ইয়াসমিন পুষ্প ছাত্রী সেবিকাদের পরীার খাতা, পুরনো ডকুমেন্টস ও লোহালক্কড়সহ বিভিন্ন জিনিসপত্র গতকাল বুধবার গোপনে বিক্রি করে দিয়েছেন। বিক্রি করা ওইসব জিনিসপত্র ক্রেতা একটি ইজিবাইক ভরে নিয়ে যায়। এর পরপরই নার্সিং ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা অফিস ছেড়ে গাড়ীতে উঠে চলে যান।
সূত্র জানিয়েছে, অফিসের যেসকল জিনিসপত্র গতকাল বিক্রি করা হয়েছে তার ভেতর শুধুমাত্র বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্রের মধ্যে খাতা বিক্রি করা হয়েছে ৭ হাজার টাকায়। এর ভেতর সেলিনা ইয়াসমিনের ঘলিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ইন্সস্ট্রাক্টর খুকুরানী বিশ্বাস ২ হাজার দাবি করেন এবং ইনচার্জ সেলিনা ইয়ানমিনকে তিনি ৩ হাজার টাকা দিতে বলেন। অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারি মূল্যবান ডকুমেন্টস খাতাপত্র প্রমান স্বরূপ কমপে ১০ বছর সংরণ করতে হয়। এটাই সরকারি নিয়ম।কিন্তু ইনচার্জ সরকারি নিয়মের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ২০১৪, ২০১৫ সালের মূল্যবান খাতা বিক্র করে দিয়েছেন। সম্প্রতি ছাত্রী সেবিকারা যে পরীা দিয়েছেন তাও গোপনে স্টোর হতে বিক্রি করে দিয়েছেন। সূত্র জানিয়েছেন, ওই কর্মকর্তা একজন দুর্নীতিবাজ। ভবিষ্যতে যাতে তার দুর্নীতি ও অনিয়ম ধরা না পড়ে সে জন্য কৌশলে সকল ডকুমেন্টস নিশ্টিন্ন করে ফেলছেন। সেবা অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপরে অনুমতি ছাড়াই সব কিছু বিক্রি করে দিচ্ছেন। কয়েক বছর আগে হাড়ি পাতিলসহ অন্যন্য মালামাল ট্রাক ভরে চুরি করে বিক্রি করে দেয়ার প্রাক্কলে পুলিশ মালামাল আটক করে। ওই সময় মামলাও হয়। কিন্তু মামলায় যথাযথ তদন্ত না হওয়ায় শুধুমাত্র দু’জন কর্মচারী মামলঅর আসামি হিসেবে হাজত বাস করে। রাঘব বোয়ালরা তখন মামলা থেকে রেহায় পায়।

ভাগ