মেসির সাপ্তাহিক বেতন হবে ৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা!

বার্সেলোনার সঙ্গে লিওনেল মেসির চুক্তি নবায়ন নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা-গুঞ্জন চলছে। গত জুনেই মেসি নতুন চুক্তিতে স্বার করেন বলে খবর বেরোয়। কিন্তু গ্রীষ্মের দলবদলের সময় ফাঁস হয়ে যায় ভেতরকার খবর। মেসি আসলে নতুন চুক্তিতে স্বার করেননি! সেই বিতর্ক যখন তুঙ্গে, তখনই আবার বার্সেলোনা সভাপতি জোসেফ মারিয়া বার্তোমেউ দেন নতুন তথ্য। তিনি বলেন, মেসির হয়ে তার বাবা ও ভাই এরই মধ্যে চুক্তিপত্রে স্বার করে ফেলেছেন। শুধু মেসির স্বার নেওয়াটা বাকি। কাতালুনিয়ান পত্রিকা ‘এল এরা’র খবর, মেসি শিগগিরই সেই স্বারটা করে ফেলবেন। পত্রিকাটির খবরে এটাও বলা হয়েছে, নতুন চুক্তিতে মেসির সাপ্তাহিক বেতন হবে ৫ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড। বাংলাদেশী মুদ্রায় ৫ কোটি ৪৪ লাখ ৯৫ হাজার ৩৩২ টাকা মাত্র!
পত্রিকাটির খবর অনুযায়ী নতুন চুক্তির পর মেসি ২০২১ সাল পর্যন্ত হয়ে যাবেন বার্সেলোনার। শুধু মোটা অঙ্কের বেতনই নয়, চুক্তির সাইনিং মানি হিসেবে মেসি বোনাস পাবেন রেকর্ড ৮০ মিলিয়ন পাউন্ড বা ৮৯ মিলিয়ন ইউরো! ২২২ মিলিয়ন বাই-আউট কজ ঝুলিয়ে রেখেও নেইমারকে ধরে রাখতে পারেনি বার্সেলোনা। ফরাসি কাব পিএসজি ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে ওই পুরো টাকা দিয়েই নেইমারকে দলে ভিড়িয়েছে। শুধু বাই-আউট কজের টাকা দিলেই পিএসজির পে নেইমারকে কেনা সম্ভব হতো না। ফরাসি কাবটি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে মোটা অঙ্কের বেতন দেওয়ার টোপও ফেলেছিল। সেই টোপেই কাজ হয়েছে।
নেইমারের চলে যাওয়াটা বড় একটা শিাই পেয়েছে বার্সেলোনা! সেই শিা থেকেই দলের প্রানভোমড়া মেসিকে ধরে রাখতে নতুন চুক্তিতে বিশাল অঙ্কের সাইনিং মানি এবং মোটা অঙ্কের বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। খুব সহজেই কোনো কাব যাতে মেসির মন গলাতে না পারে, সেই চেষ্টা আর কী! খবরটা যদি সত্যি হয়, সত্যিই যদি মেসি সপ্তাহে ৫ লাখ পাউন্ড বেতন পান, তারপরও কিন্তু তিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড় হতে পারবেন না! মেসির নতুন চুক্তির পরও বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলারের রেকর্ডটি থেকে যাবে তার স্বদেশী কার্লোস তেভেজের দখলেই। গত বছরের ডিসেম্বরে আর্জেন্টাইন কাব বোকা জুনিয়র ছেড়ে চীনা কাব শাংহাই সেনহুয়ায় যোগ দেন কার্লোস তেভেজ। চীনা কাবটি যোগ দিয়েই তিনি বনে যান বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলার। চীনা কাবটি তেভেজ সাপ্তাহিক বেতন পান ৭ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬১ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকারও বেশী!

ভাগ