ইনফ্লুয়েঞ্জায় অ্যান্টিবায়োটিকের বদলে ঘরোয়া প্রতিকার..

শীতে কিংবা তীব্র ঠাণ্ডায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। শিশুরা এ কারণে খুব সহজেই ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হতে পারে।এ রোগে আক্রান্ত হলেই ডাক্তার সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক গ্র্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু এই অ্যান্টিবায়োটিকের রয়েছে ব্যাপক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
শিশুর ওপর এটির ব্যবহারে তার রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা কমে যাবে। শুধু তাই নয়, অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে শিশুর অ্যালার্জিঘটিত রোগসহ নানা শারীরবৃত্তীয় সমস্যা হতে পারে। অ্যান্টিবায়োটিকের পরিবর্তে ঘরোয়া বা প্র্রাকৃতিক উপায়ে শিশুকে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে মুক্ত রাখা সম্ভব।
রসুন, লবঙ্গ ও সরিষার তেলের মিশ্রণ :
প্রথমে সরিষার তেলকে গরম করুন(ফুটন্ত নয়)। এর সাথে ২-৩ টি রসুন ও লবঙ্গের গুঁড়া মেশান। এরপর এই মিশ্রণটি শিশুর পা, পিঠ ও বুকে ভালোভাবে মালিশ করুন। এই শীতে ঠাণ্ডাজনিত এবং ইনফ্লুয়েঞ্জায় দারুন উপকার পাবেন, সন্দেহ নেই।
আদা ও মধুর মিশ্রণ :
কিছু আদা গুঁড়া-গুঁড়া করে এ থেকে রস বের করে নিন। এই নির্যাসের সাথে মধু মিশিয়ে নিন। এরপর নিশ্চিন্ত মনে শিশুকে খাইয়ে দিন, ডাক্তারের বাড়তি খরচ ও অ্যান্টিবায়োটিকের কুফল থেকে রক্ষা পাবে আপনার শিশু। ঠাণ্ডাজনিত ঝুঁকি কমে যাবে অনেকটা।
ঘরকে আরামদায়ক রাখুন :
এই শীতে আপনার ঘরকে আরামদায়ক ও উষ্ণ রাখুন। ঘরে হিউমিডিফায়ারস বা আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করুন। এর ফলে ঘরের বাতাস থাকবে আর্দ্র যা শিশুর নাক ও বুকে কফের জমাটবদ্ধতা রোধ করবে, ঝুঁকি কমবে।
পর্যাপ্ত পানি পান :
শিশুকে পর্যাপ্ত পানি পান করাতে হবে। এর ফলে পানিশূন্যতা দূর হবে। শুধু তাই নয়, নাক দিয়ে সর্দির পানি পড়ার মাত্র্রা কমবে, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ও ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পাবে।
আর যদি অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করতেই হয় তবে নিম্নলিখিত টিপসগুলো মেনে চলা আবশ্যক : -শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার অবশ্যই খাওয়াতে হবে। কারণ, এসব খাবার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার জনিত ঝুঁকি কমাবে।
-স্কুল, খেলার মাঠ কিংবা বাহির থেকে ঘরে ফেরার পর শিশুকে হাত ধুতে অভ্যস্ত করুন। আর খাবার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
-প্রচুর আঁশসমৃদ্ধ ফলমূল এবং শাকসবজি গ্রহণের বিষয়টি ভুলবেন না যেন।
-ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে বিকল্প পুষ্টিকর উপাদানের খাবার গ্রহণ
তথ্যসূত্র: ফেমিনা

ভাগ